মর্জিনা বেগম জানান, “আলু ক্ষেতে দেওয়ার জন্য কীটনাশক এনে ঘরে রাখা হয়েছিল। ইফতারের সময় ছোট মেয়ে স্যালাইন ও কীটনাশক একসঙ্গে থাকার কারণে ভুলবশত দুটোই পানিতে গুলে পরিবারের সদস্যদের পান করতে দেয়। পরে আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি।”
স্থানীয় বাসিন্দা আলামিন ইসলাম জানান, “ইফতারের সময় আলমের বড় মেয়ে কৃষি জমিতে দেওয়ার জন্য আনা কীটনাশক খাবার স্যালাইন ভেবে পানিতে গুলে পরিবারের সদস্যদের ইফতারের সঙ্গে পান করতে দেয়। কিছুক্ষণ পর পরিবারের তিন সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েন। মর্জিনা বেগমের স্বামী ঢাকায় থাকায় প্রতিবেশী ও স্বজনদের সহায়তায় তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।”
আরেক প্রতিবেশী আমিনুল ইসলাম জানান, “আলু ক্ষেতে দেওয়ার জন্য কীটনাশক আনা হয়েছিল। স্যালাইন ও কীটনাশক একসঙ্গে থাকার কারণে ভুলবশত পানিতে গুলে পান করার পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। অবস্থার অবনতি হলে স্থানীয় এক গ্রাম্য চিকিৎসক দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের হাসপাতালে পৌঁছে দেন।”
ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মাহমুদুল হাসান জানান, “রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে তিনজন রোগী হাসপাতালে আসেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্যালাইন ভেবে কীটনাশক মেশানো পানি পান করেছেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে,

0 Comments